ডেস্ক নিউজ ॥ হবিগঞ্জে আওয়ামী সরকারের পতনের পর আলোচিত ছাত্রনেতাদের একজন আহমেদ রেজা হাসান ওরফে মাহদি হাসান। হাসপাতাল, কলেজ, আদালতপাড়া কিংবা স্থানীয় কলহ! কোন কিছুতে ‘পান থেকে চুন খসলেই’ ডাক দিতেন আন্দোলনে। পরে নানাবিদ বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িয়ে হারিয়েছেন ‘একুল ওকুল দুই কুল’। নিজেকে আলোচনায় রাখতে ভাইরাল হতে গিয়ে লাগামহীন কথাতার্বাতায় নিজেকে জড়িয়ে অপদস্ত হতে হচ্ছে পদে পদে। সর্বশেষ হামলার নাটক করতে গিয়ে মার খেয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে। তবে এ যাত্রায় আর কেউ তাকে সাহায্য করতে আসেনি।
পাড়া মহল্লায় আলোচনা চলছে, ‘খুঁটির জোরে ভেড়া নাচে’ কার আশ্রয়-প্রশয়ে বিতর্কিত কর্মকান্ড করে যাচ্ছে এই মাহাদি। অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শিবিরের গুপ্ত কর্মী হিসেবে কাজ করছে সে। তবে শিবির ঘেষা হলেও সংগঠনটির স্থানীয় নেতাদের সাথে তেমন সুসম্পর্ক নেই তার। ‘ইঁচড়ে পাকা’ আচরণে তার ধার ঘেষে না কেউ।
মাহাদির বাবা মাওলানা তৈয়ব আলী ছিলেন ওলামা লীগ নেতা। সাবেক এমপি আবু জাহিরের কাছের লোক ছিলেন তিনি। মাহাদির জন্ম তথ্যানুযায়ী ১লা জানুয়ারী ২০০৫ হলে তার বর্তমান বয়স দাড়ায় ২১ বছর ১২ দিন। প্রায় এক বছর আগে সরকারি নিয়ম ভেঙ্গে আবদ্ধ হয়েছেন কন্টাক ম্যারিজে। ভারত বিরোধী আন্দোলনে আলোচনায় এসে আবার ভারতে গিয়েই করেছেন হানিমুন।
চলবে—-
হবিগঞ্জ ট্রিবিউন ডেস্ক 











