নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ নম্বর পানিউমদা ইউনিয়নের নোওয়াগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে সাহিদ মিয়া লাইসেন্সপ্রাপ্ত কাজী আবু তাহেরের সনদ ও পরিচয় ব্যবহার করে নিজেকে ‘কাজীর সহকারী’ পরিচয়ে বিবাহসংক্রান্ত কার্যক্রম চালাচ্ছেন—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এমনি একটি ভিডিও। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, কাবিননামায় বর-কনে ও সাক্ষীদের স্বাক্ষর নিয়ে রীতিমত কাজী বনে গেছেন সাহিদ নামে এক ব্যক্তি।
স্থানীয়দের দাবি, মূল কাজীর যোগসাজশ ও সহযোগিতায় সাহিদ দীর্ঘদিন ধরে এভাবে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। তার বিরুদ্ধে কাবিননামা জালিয়াতির মামলা আদালতে চলমান বলেও জানা গেছে।
এছাড়া রইছগঞ্জ বাজারে অবস্থিত ‘এস আর স্টুডিও এন্ড গ্রাফিক্স’ কম্পিউটার দোকানকে ঘিরে জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংশোধন/পরিবর্তনের নামে দালালি, প্রতারণা ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি সেবা ও বিবাহ নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দালালি ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছেন। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ—মূল কাজীর সনদ ও পরিচয়ের আড়ালে অন্য ব্যক্তি বিবাহসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং এতে সংশ্লিষ্ট কাজীর সহযোগিতা রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সাহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা এবং কাজী আবু তাহেরের ভূমিকা তদন্ত করে তার লাইসেন্স/সনদ স্থগিত বা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
হবিগঞ্জ ট্রিবিউন ডেস্ক 











