চালচলন দেখে বুঝার উপায় নেই তিনি একজন ফার্মাসিস্ট। ফার্মেসিতে ডিপ্লোমা করে অদৃশ্য তদবীরে কারা অধিদপ্তরের চাকরি নিয়েছেন ১১তম গ্রেডের কর্মচারী পাভেল দে।
তবে হাতে ওয়াটিটকি নিয়ে ফরমাল পোষাকে কারাগারের ভেতর দাপিয়ে বেড়ান কোন বিধি-নিষেধ ছাড়াই। অভিযোগ আছে, কারা অভ্যান্তরে বন্দি কেনা বেচা, ওয়ার্ড পরিবর্তন, ভাল সিট-বিছানা, নগদ অর্থ, ইয়াবা পৌছানো এবং নগদ টাকার বিনিময়ে কারা হাসপাতালে সিট, বাহির মেডিকেলে প্রেরণ সবকিছুই হয় তার ইশারায়।
এমনকি ডাক্তারও চলেন তার কথামত। কারন ডাক্তার থাকেন প্রাইভেট প্রাকটিসে আর কারা হাসপাতাল চালান ফার্মাসিস্ট পাভেল দে।
শুধু তাই না, কারা হাসপাতালের প্রতিটা ওয়ার্ডে নিয়োগ দিয়ে রেখেছেন তার পছন্দমত কয়েদি আসামী। সাধারণ বন্দিদের কাছ থেকে নগদ অর্থ মূলত আসে তাদের মাধ্যমেই। শারিরিক সমস্যায় কারা হাসপাতালে গেলে বন্দিদের চরম দুর্ব্যবহার করেন ফার্মাসিস্ট পাভেল দে।
চলবে…
হবিগঞ্জ ট্রিবিউন ডেস্ক 













