আজমিরীগঞ্জে সরকারিভাবে বুরো ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার দায়িত্বে থাকা ওসি এলএসডি শামসুল হুদা ফয়সালের বিরুদ্ধে। সরকারীভাবে চলতি বছরে আজমিরীগঞ্জে ৯৫৫ মেট্রিকটন ধান সংগ্রহ করা হবে বলে তথ্য পাওয়া গিয়েছে। আজমিরীগঞ্জ খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের বরাতে জান যায় আজমিরীগঞ্জ তৃনমুল কৃষকের মধ্যে হতে লটারির মাধ্যমে ধান দেয়ার জন্য উপজেলার পৌরসভা ও ৫ টি ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৪৭৬ জন প্রান্তিক কৃষককে খাদ্যগুদামে ধান দেয়ার জন্য মনোনিত করা হয় এবং প্রতি কৃষক তার নিজস্ব কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ২ টন ধান সরকার নির্ধারিত মূল্যে সরকারের কাছে বিক্রয় করতে পারবে মর্মে তথ্য পাওয়া যায়।
কিন্তু ধান সংগ্রহ করার প্রথম দিন থেকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃষকের পরিবর্তে ধান ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটই বেশি মুনাফায় ধান দিচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ধান ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও খাদ্য গুদামের কথিত কয়েকজন কর্মকর্তা কর্মচারীর যোগসাজশে সাধারন কৃষকদের ব্যতিরেকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। যদিও কোন কোন কৃষক ধান দিত পারছেন সেক্ষেত্রে তাদের পোহাতে হচ্ছে নানন ঝামেলা।কখনও ধানের সঠিক আদ্রতার দোহাই দিয়ে আবার কখনও সঠিক ওজনের বাইরে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করতে তালবাহনা চালাচ্চে স্থানীয় খাদ্য গুদাম কতৃপক্ষ।
আমাদের নিজস্ব তদন্তে আরো উঠে আসছে প্রতি মণ ধান ৪০কেজির বদলে ৪২ কেজি,আবার ব্যবসায়ীদের ধান কোন যাচাই বাচাই না করে সংগ্রহ করা হলেও কৃষকদের ঠিক একি কারনে করা হচ্ছে নানা হয়রানী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষকের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানায় ধান ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছ থেকে প্রতি টনে এক থেকে দেড় হাজার টাকা উৎকোচ আদায়ের মাধ্যমে খাদ্য গুদাম কতৃপক্ষ তাদের বিশেষ সুবিধা প্রদান করেন এবং সাধারন কৃষকদের নানানভাবে হয়রানি করে আসছেন।
অভিযোগের সত্যতা জানতে আজমিরীগঞ্জ খাদ্য গুদামের এলএসডি শামসুল হুদা ফয়সালের সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানালে তিনি বলেন আমি ফোনে বক্তব্য দিব না প্রয়োজন থাকলে আপনার সাংবাদিক কার্ড গলায় ঝুলিয়ে অফিসে আসেন তারপর বক্তব্য দিব।
হবিগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) জুতি বিকাশ ত্রিপুরার মোবাইলে উক্ত বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
হবিগঞ্জ ট্রিবিউন ডেস্ক 











