সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যে পরিমান খাবার বরাদ্দ থাকে তার কিঞ্চিৎ পরিমানও পান না হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের বন্দিরা| দীর্ঘদিন ধরে সিন্ডিকেট করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের একটি চক্রই ঘুরে ফিরে বার বার খাবারসহ যাবতীয় মালামাল সরবরাহ করে আসছে কারাগারে| অভিযোগ আছে, নায্য অনুযায়ী মাছ-মাংস কোন কিছুই পান না বন্দিরা| সামান্য অসুস্থ্য হলে ঔষধ নিতে হয় বাহির থেকে অথবা ১০ টাকার ট্যাবলেট ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে কারারক্ষীদের মাধ্যমে|
তবে কারাগারে ডিআইজি কিংবা জেলা প্রশাসনের কোন প্রতিনিধি গেলে এক বেলার খাবার রান্না করা হয় পরিমানমত তেল-মশলা দিয়ে| শুধু তাই নয়, প্রদর্শনের জন্য রান্না খাবার তৈরি করা হয় আলাদাভাবে। অসুস্থ্য হয়ে কারা হাসপাতালে গেলে বন্দি রোগীদের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করেন কারা হাসপতালের দায়িত্বে থাকা ফার্মাসিস্ট-রাইটাররা (পুরনো কয়েদি)| প্রচলিত আছে উৎকোচ (সিগারেট) না দিলে ঔষধ মিলে না কারা হাসপাতালে| রাইটারদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক হিসেব নেন ফার্মাসিস্ট আর ফার্মাসিস্টদের কথামত চলেন কারা হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার|
কারা অভ্যান্তরে উৎপাদিত ফসল থেকে পারেন না বন্দিরা| ভাল উন্নত মানের ফসল যেমন বেগুন, লাউ, শাক সব্জি চলে যায় জেলার-সুপারের পেটে| বাকীগুলো বিক্রি করা হয় কৌশলে বাজারে| বছরের ১২মাস ই বন্দিদের খাওয়ানো হয় পরিত্যাক্ত পঁচা শাক-সব্জি| মাছের তালিকায় সব সময়ই থাকে পাঙ্গাস-সিলভার|
গরুর মাংস রান্না হলে পুরোটাই চলে ক্যান্টিনে নাম মাত্র দেয়া হয় বন্দিদের| হিন্দু বন্দিদের ডিম দেয়া কথা থাকলেও কোন কিছুই পান না তারা|
চলবে-
হবিগঞ্জ ট্রিবিউন ডেস্ক 












